ভারতের জনপ্রিয় অভিনেত্রী শেফালি জারিওয়ালার আকস্মিক মৃত্যু নিয়ে দীর্ঘ সময়
পর বিস্ফোরক দাবি করেছেন তার স্বামী ও অভিনেতা পরাগ ত্যাগী। ময়নাতদন্তের রিপোর্টে হৃদরোগের কথা উল্লেখ থাকলেও পরাগের বিশ্বাস, শেফালির ওপর ‘কালো জাদু’ বা কোনো অশুভ শক্তি প্রয়োগ করা হয়েছিল।
অস্বাভাবিক ঘটনার বর্ণনা
সম্প্রতি এক পডকাস্টে পরাগ ত্যাগী জানান, মৃত্যুর আগে শেফালির সাথে বেশ কিছু অস্বাভাবিক ঘটনা ঘটছিল। তার ভাষায়, "যেখানে ঈশ্বর আছেন, সেখানে শয়তানও আছে।" পরাগ অনুভব করেছিলেন যে বড় কোনো অশুভ শক্তি তাদের ঘিরে ধরেছে।
'সুরক্ষা কবজ' ও হনুমান মূর্তি প্রসঙ্গ
পরাগ একটি বিশেষ ঘটনার অবতারণা করে বলেন:
২০২৪ সালের নভেম্বর মাসে জনৈক ব্যক্তির পরামর্শে তাদের বাড়িতে থাকা দীর্ঘদিনের একটি ‘পঞ্চমুখী হনুমান’ মূর্তি সরিয়ে ফেলতে বাধ্য হন শেফালি।
মূর্তিটি সরানোর পর থেকেই পরাগ মানসিকভাবে ভেঙে পড়েন এবং সেটি আর খুঁজে পাওয়া যায়নি।
পরাগের ধারণা, ওই পবিত্র মূর্তিটি সরিয়ে ফেলার কারণেই শেফালির সুরক্ষা কবজ নষ্ট হয়ে যায় এবং অশুভ শক্তি তাকে গ্রাস করে।
বিজ্ঞান বনাম বিশ্বাস
২০২৫ সালের ২৭ জুন ৪২ বছর বয়সে শেফালি জারিওয়ালার মৃত্যু হয়। চিকিৎসকদের মতে:
মৃত্যুর প্রাথমিক কারণ হিসেবে হৃদরোগের কথা বলা হয়েছিল।
ধারণা করা হয়েছিল, শেফালির নিয়মিত নেওয়া অ্যান্টি-এজিং ইনজেকশন ও ওষুধের পার্শ্বপ্রতিক্রিয়া থেকেও এটি হতে পারে।
তবে পরাগ ত্যাগী বৈজ্ঞানিক যুক্তির চেয়ে অতিপ্রাকৃত তত্ত্বে অনড়। তিনি সাফ জানিয়েছেন, যার হাত এই ঘটনার পেছনে রয়েছে তাকে তিনি কখনোই ক্ষমা করবেন না।
এসআর
মন্তব্য করুন: