ইনকিলাব মঞ্চের শান্তিপূর্ণ কর্মসূচিতে পুলিশের হামলার তীব্র প্রতিবাদ জানিয়েছে জগন্নাথ
বিশ্ববিদ্যালয় কেন্দ্রীয় শিক্ষার্থী সংসদ (জকসু)। শুক্রবার (৬ ফেব্রুয়ারি) রাত সাড়ে ১০টায় বিশ্ববিদ্যালয়ের কেন্দ্রীয় শহিদ মিনার এলাকা থেকে একটি বিক্ষোভ মিছিল বের করা হয়।
মিছিলটি ক্যাম্পাস প্রদক্ষিণ করে বিশ্বজিৎ চত্বরে এক সংক্ষিপ্ত সমাবেশের মাধ্যমে শেষ হয়।
সমাবেশে জকসু নেতৃবৃন্দ পুলিশের ভূমিকার কঠোর সমালোচনা করেন এবং দ্রুত পুলিশ সংস্কারের দাবি জানান।
নেতৃবৃন্দের বক্তব্য ও মূল দাবিগুলো:
পুলিশি সংস্কারের দাবি: জকসুর জিএস আব্দুল আলিম আরিফ বলেন, "শান্তিপূর্ণ কর্মসূচিতে হামলার মাধ্যমে পুলিশ আবারও তাদের দমনমূলক চরিত্র প্রকাশ করেছে। জুলাই গণঅভ্যুত্থানে পুলিশের যে সন্ত্রাসী ভূমিকা আমরা দেখেছি, তার পরিবর্তন না হওয়া পর্যন্ত সাধারণ মানুষ নিরাপদ নয়। আমরা অবিলম্বে এই বাহিনীর আমূল সংস্কার চাই।
ছাত্র প্রতিনিধিদের ওপর হামলা: সমাবেশে জানানো হয়, হামলায় জকসু প্রতিনিধি শান্তাসহ অনেক শিক্ষার্থী আহত হয়েছেন। নেতৃবৃন্দ এই ঘটনার তীব্র নিন্দা জানিয়ে দোষীদের শাস্তির আওতায় আনার দাবি জানান।
প্রশাসনের ব্যর্থতা: জকসুর ভিপি রিয়াজুল ইসলাম বলেন, "জুলাই বিপ্লবের পর আমরা প্রশাসনের বিতর্কিত কর্মকর্তাদের বরখাস্ত করার দাবি জানিয়েছিলাম, কিন্তু সরকার তা করতে ব্যর্থ হয়েছে। ফলে অপরাধীদের ধরতে পুলিশ ব্যর্থ হলেও সাধারণ শিক্ষার্থীদের ন্যায্য দাবিতে বাধা দিতে তারা অতি-উত্সাহী হয়ে উঠছে।
বৈষম্যমূলক আচরণ: বক্তারা অভিযোগ করেন, যখন শিক্ষার্থীদের ওপর রাজনৈতিক সন্ত্রাসীরা হামলা চালায়, তখন পুলিশ নীরব থাকে। অথচ শিক্ষার্থীরা কোনো প্রতিবাদ করলে পুলিশ আক্রমণাত্মক হয়ে ওঠে। এই দ্বিমুখী আচরণ বন্ধ করে পুলিশকে সত্যিকারের জনবান্ধব বাহিনী হিসেবে গড়ে তোলার আহ্বান জানানো হয়।
সমাবেশ থেকে শিক্ষার্থীরা হুঁশিয়ারি দেন যে, ভবিষ্যতে শিক্ষার্থীদের ওপর যেকোনো ধরনের হামলা বা অন্যায়ের বিরুদ্ধে জগন্নাথ বিশ্ববিদ্যালয় কেন্দ্রীয় শিক্ষার্থী সংসদ রাজপথে সোচ্চার থাকবে।
এসআর
মন্তব্য করুন: