[email protected] শুক্রবার, ২৭ ফেব্রুয়ারি ২০২৬
১৫ ফাল্গুন ১৪৩২

জবির প্রশাসনিক ভবনে তালা, অবরুদ্ধ ভিসি ও কোষাধ্যক্ষ

জবি প্রতিনিধি

প্রকাশিত: ২৫ জানুয়ারি ২০২৬ ৯:৫১ পিএম

সংগৃহীত ছবি

বিশেষ বৃত্তির দাবিতে জগন্নাথ বিশ্ববিদ্যালয়ের (জবি) ২০২৪–২৫ শিক্ষাবর্ষের ২০তম ব্যাচের শিক্ষার্থীরা প্রশাসনিক ভবন ঘেরাও করে অবস্থান কর্মসূচি পালন করছেন।

এর ফলে বিশ্ববিদ্যালয়ের উপাচার্য অধ্যাপক মো. রেজাউল করিম ও কোষাধ্যক্ষ অধ্যাপক সাবিনা শারমীন ভবনের ভেতরে অবরুদ্ধ হয়ে পড়েছেন। প্রতিবেদন লেখা পর্যন্ত টানা আট ঘণ্টার বেশি সময় ধরে তারা সেখানে অবস্থান করছেন।


রোববার (২৫ জানুয়ারি) সকাল ১০টা থেকে শিক্ষার্থীরা প্রশাসনিক ভবনের সামনে জড়ো হয়ে অবস্থান নেন। দুপুরের দিকে আন্দোলনকারীরা ভবনের প্রধান ফটকে তালা ঝুলিয়ে দেন এবং দাবি পূরণ না হওয়া পর্যন্ত কর্মসূচি চালিয়ে যাওয়ার ঘোষণা দেন।


আন্দোলনরত শিক্ষার্থীদের দাবি, বৃত্তির বিদ্যমান নীতিমালা অনুযায়ী ২০২৪–২৫ শিক্ষাবর্ষের শিক্ষার্থীদের প্রথম কিস্তিতে অন্তর্ভুক্ত করা হলে ২০১৯–২০ শিক্ষাবর্ষের শিক্ষার্থীরা বৃত্তি থেকে বাদ পড়বে। পাঁচটি চলমান ব্যাচের কাঠামোর কারণে ১৫তম ব্যাচ বৃত্তির আওতার বাইরে চলে যাবে বলে তারা আশঙ্কা প্রকাশ করেন। অথচ যমুনা আন্দোলনে ওই ব্যাচের শিক্ষার্থীদের ভূমিকা ছিল উল্লেখযোগ্য।


এ প্রসঙ্গে বিশ্ববিদ্যালয় প্রশাসনের পক্ষ থেকে জানানো হয়েছে, একক সিদ্ধান্তে এ ধরনের বিষয় নিষ্পত্তি করা সম্ভব নয়। সংশ্লিষ্ট সব কমিটির সঙ্গে আলোচনা করে দ্রুত সমাধানে পৌঁছানোর চেষ্টা করা হবে বলে আশ্বাস দেওয়া হয়েছে।


এর আগে সকালে আবাসন ভাতার দাবিতে শিক্ষার্থীরা উপাচার্যের বাসভবনের সামনে থেকে একটি বিক্ষোভ মিছিল বের করেন। মিছিলটি কলাভবন, শহীদ সাজিদ ভবন ও বিজ্ঞান অনুষদ এলাকা প্রদক্ষিণ করে প্রশাসনিক ভবনের সামনে গিয়ে শেষ হয়। পরে সেখানেই তারা ভবন ঘেরাও করে অবস্থান নেন।
কর্মসূচি চলাকালে শিক্ষার্থীরা বিভিন্ন স্লোগান দেন। এর মধ্যে ছিল—


‘২০ ব্যাচের অ্যাকশন, ডাইরেক্ট অ্যাকশন’,
‘সিন্ডিকেটের বিরুদ্ধে, ডাইরেক্ট অ্যাকশন’,
‘স্বৈরাচারী সিদ্ধান্ত মানি না’,
‘বৃত্তি আমাদের অধিকার’,
‘বৈষম্যের সিদ্ধান্ত মানব না’ ইত্যাদি।
প্রতিবেদন লেখা পর্যন্ত বিশ্ববিদ্যালয় প্রশাসনের পক্ষ থেকে আনুষ্ঠানিক কোনো বক্তব্য পাওয়া যায়নি। তবে জানা গেছে, ২০তম ব্যাচের একটি প্রতিনিধিদল কোষাধ্যক্ষের সঙ্গে আলোচনায় বসেছে।


ইনস্টিটিউট অব মডার্ন ল্যাংগুয়েজ বিভাগের শিক্ষার্থী রাব্বি বলেন, “আমাদের প্রতিনিধিদল কোষাধ্যক্ষ ম্যাডামের সঙ্গে আলোচনা করছে। লিখিত সিদ্ধান্ত না পাওয়া পর্যন্ত আমরা কর্মসূচি থেকে সরে যাব না।”

এসআর

মন্তব্য করুন:

সম্পর্কিত খবর