সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়ের সহকারী শিক্ষক নিয়োগ পরীক্ষার লিখিত ধাপ শেষ হয়েছে।
এতে মোট ৬৯ হাজার ২৬৫ জন প্রার্থী উত্তীর্ণ হয়ে এখন মৌখিক পরীক্ষার প্রস্তুতি নিচ্ছেন।
তবে সামনে ১২ ফেব্রুয়ারি ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচন ও গণভোট থাকায় মৌখিক পরীক্ষা কবে অনুষ্ঠিত হবে—এ বিষয়ে প্রার্থীদের মধ্যে অনিশ্চয়তা তৈরি হয়েছে। নির্বাচন উপলক্ষে সরকারি দপ্তরগুলোতে ব্যস্ততা বাড়ায় পরীক্ষার সময়সূচি পিছিয়ে যেতে পারে বলে ধারণা করা হচ্ছে।
এ প্রসঙ্গে প্রাথমিক শিক্ষা অধিদপ্তর জানিয়েছে, মৌখিক পরীক্ষার তারিখ এখনো নির্ধারণ করা হয়নি। সংশ্লিষ্টদের সঙ্গে আলোচনা করে উপযুক্ত সময় ঠিক করা হবে এবং চূড়ান্ত সিদ্ধান্ত হলে তা অধিদপ্তরের ওয়েবসাইটে জানানো হবে।
অধিদপ্তরের একাধিক সূত্রের তথ্যে জানা যায়, পরীক্ষার সময় নির্ধারণের আগে মন্ত্রিপরিষদ বিভাগের মাধ্যমে জেলা প্রশাসকদের মতামত নেওয়া হবে। বর্তমানে নির্বাচন সংক্রান্ত দায়িত্বে ব্যস্ত থাকায় অনেক জেলা প্রশাসক সময়ের সীমাবদ্ধতার মধ্যে রয়েছেন।
এ কারণে নির্বাচনের আগে মৌখিক পরীক্ষা আয়োজন সম্ভব হবে কি না, সে বিষয়ে কিছুটা সংশয় রয়েছে। তবে সব পক্ষের মতামত পাওয়ার পরই চূড়ান্ত তারিখ ঘোষণা করা হবে বলে জানিয়েছে কর্তৃপক্ষ।
প্রাথমিক শিক্ষা অধিদপ্তরের পরিচালক (পলিসি ও অপারেশন) এ কে মোহম্মদ সামছুল আহসান গণমাধ্যমকে বলেন, মৌখিক পরীক্ষার সময়সূচি এখনো চূড়ান্ত হয়নি। বিষয়টি নিয়ে আলোচনা চলছে এবং সিদ্ধান্ত হলে বিজ্ঞপ্তির মাধ্যমে জানানো হবে।
উল্লেখ্য, বুধবার (২১ জানুয়ারি) প্রাথমিক শিক্ষক নিয়োগের লিখিত পরীক্ষার ফল প্রকাশ করা হয়। এতে তিনটি পার্বত্য জেলা বাদে দেশের ৬১ জেলায় শর্তসাপেক্ষে ৬৯ হাজার ২৬৫ জন প্রার্থী মৌখিক পরীক্ষার জন্য নির্বাচিত হন।
এসআর
মন্তব্য করুন: