দেশীয় বস্ত্র ও পোশাক শিল্পের কাঁচামাল সংকট মেটাতে বিকল্প বাজার হিসেবে পাকিস্তান ও মিশর
থেকে সুতা আমদানি শুরু করেছেন বাংলাদেশি উদ্যোক্তারা। সোমবার (১৯ জানুয়ারি ২০২৬) রাজধানীর এক অনুষ্ঠানে ব্যবসায়ী নেতারা জানান, ভারতের ওপর একক নির্ভরতা কমাতে প্রয়োজনে ইন্দোনেশিয়া থেকেও সুতা সংগ্রহের পরিকল্পনা রয়েছে তাদের।
বিকল্প বাজার অনুসন্ধান: ভারতীয় সুতার ওপর অতি-নির্ভরতা কমাতে ইতোমধ্যে পাকিস্তান ও মিশর থেকে সুতা আমদানি করা হচ্ছে। পোশাক খাতের নিরবচ্ছিন্ন উৎপাদন নিশ্চিত করতে সামনের দিনে ইন্দোনেশিয়াকেও এই তালিকায় যুক্ত করার কথা ভাবা হচ্ছে।
ভারতীয় প্রণোদনার চ্যালেঞ্জ: ব্যবসায়ীদের মতে, ভারত সরকার তাদের স্পিনিং মিলগুলোকে বিপুল পরিমাণ আর্থিক প্রণোদনা দিয়ে সুতার দাম বিশ্ববাজারের তুলনায় কম রেখেছে। ফলে তারা কম দামে বাংলাদেশে সুতা রপ্তানি করতে পারছে, যা দেশীয় মিলগুলোর জন্য অসম প্রতিযোগিতার সৃষ্টি করছে।
স্থানীয় শিল্পের সুরক্ষা: বাংলাদেশি স্পিনিং মিলগুলোকে রক্ষা করতে সরকারি পর্যায়ে বিশেষ সুবিধা বা সরাসরি প্রণোদনা দেওয়ার দাবি জানানো হয়েছে। এতে স্থানীয় বাজারে সুতার দাম কমবে এবং উদ্যোক্তারা আমদানির বদলে দেশীয় বাজার থেকে প্রয়োজনীয় সব সুতা সংগ্রহ করতে উৎসাহিত হবেন।
ব্যবসায়ীদের পর্যবেক্ষণ: "সুতা আমদানির বিকল্প পথ আমাদের হাতে আছে। তবে আমরা চাই দেশীয় স্পিনিং মিলগুলো শক্তিশালী হোক। সরকার যদি স্থানীয় মিলগুলোকে সুবিধা দিয়ে সুতার দাম সহনীয় রাখে, তবে আমাদের আর বিদেশের দিকে তাকিয়ে থাকতে হবে না।"
এসআর
মন্তব্য করুন: