[email protected] বৃহঃস্পতিবার, ২২ অক্টোবর ২০২৬
৬ কার্তিক ১৪৩৩

বেনাপোলে বাড়ি নির্মাণে ২০ লাখ টাকা চাঁদা দাবির অভিযোগ

যশোর জেলা প্রতিনিধি

প্রকাশিত: ২০ অক্টোবর ২০২৬ ৯:৪৩ পিএম

সংগৃহীত ছবি

যশোরের বেনাপোল স্থলবন্দর এলাকায় বাড়ি নির্মাণকে কেন্দ্র করে ২০ লাখ টাকা চাঁদা দাবির অভিযোগ উঠেছে স্থানীয় কয়েকজনের বিরুদ্ধে।

চাঁদা দিতে রাজি না হওয়ায় হামলা, হত্যার চেষ্টা ও জমি দখলের হুমকি দেওয়া হয়েছে বলে অভিযোগ করেছেন প্রবাসফেরত হযরত আলী (৬৭)। এ ঘটনায় আদালতে মামলা করেও পরিবার নিয়ে নিরাপত্তাহীনতায় রয়েছেন বলে জানিয়েছেন তিনি।

 

মঙ্গলবার (২০ অক্টোবর) দুপুরে প্রেসক্লাব যশোরে আয়োজিত সংবাদ সম্মেলনে এসব অভিযোগ তুলে ধরেন হযরত আলী ও তাঁর পরিবারের সদস্যরা। এ সময় তাঁর ভাইপো রাসেদুল ইসলাম মাসুম এবং শ্যালক আলমগীর উপস্থিত ছিলেন।

 

আদালতে দায়ের করা মামলার এজাহার সূত্রে জানা যায়, গত ৬ সেপ্টেম্বর সকালে হযরত আলীর বাড়ি নির্মাণের কাজ চলার সময় কয়েকজন ব্যক্তি আগ্নেয়াস্ত্র ও দেশীয় ধারালো অস্ত্র নিয়ে সেখানে হামলা চালান বলে অভিযোগ করা হয়েছে। এ ঘটনায় হযরত আলীসহ কয়েকজন আহত হন। পরে তাঁদের উদ্ধার করে হাসপাতালে নেওয়া হয়।

 

মামলার অভিযোগে অভিযুক্ত হিসেবে যাঁদের নাম উল্লেখ করা হয়েছে, তাঁরা হলেন মান্নানের ছেলে কাসেম, মোকলেচুরের ছেলে নাজমুল ও মোজাম্মেল, হাসেমের ছেলে সদু, সাত্তারের ছেলে মোকলেছুর, মান্নানের ছেলে আক্তার, কাসেমের ছেলে ইয়ানুর এবং হাসেমের ছেলে মোস্তফা ল্যাটা।

 

হযরত আলীর অভিযোগ, বাড়ি নির্মাণের কাজ চালিয়ে যেতে হলে তাঁকে ২০ লাখ টাকা দিতে বলা হয়। দাবিকৃত অর্থ দিতে অস্বীকৃতি জানালে নির্মাণকাজ বন্ধ করে দেওয়ার পাশাপাশি পরিবারের জমিজমা দখলের হুমকি দেওয়া হয়। অভিযুক্তদের মধ্যে কাসেম বেনাপোলের একটি ওয়ার্ড বিএনপির সাধারণ সম্পাদক বলে অভিযোগে উল্লেখ করা হয়েছে।

 

এ ঘটনায় একাধিক ব্যক্তিকে আসামি করে বেনাপোল পোর্ট আমলি আদালতে মামলা করেছেন হযরত আলী। তবে মামলা দায়েরের পরও হুমকি অব্যাহত থাকায় পরিবারের সদস্যদের নিরাপত্তা নিয়ে উদ্বেগ প্রকাশ করেছেন তিনি।

 

সংবাদ সম্মেলনে ভুক্তভোগী পরিবারের পক্ষ থেকে অভিযোগের নিরপেক্ষ তদন্ত, দায়ীদের বিরুদ্ধে আইনানুগ ব্যবস্থা গ্রহণ এবং পরিবারের সদস্যদের নিরাপত্তা নিশ্চিত করার দাবি জানানো হয়। এ জন্য সংশ্লিষ্ট প্রশাসনের জরুরি হস্তক্ষেপ কামনা করেছেন তাঁরা।

 

তবে এসব অভিযোগের বিষয়ে অভিযুক্ত ব্যক্তিদের বক্তব্য পাওয়া যায়নি। অভিযোগগুলোর সত্যতা নিরপেক্ষ তদন্তের মাধ্যমে যাচাই করা প্রয়োজন।

এসআর

সম্পর্কিত খবর