[email protected] বৃহঃস্পতিবার, ২২ অক্টোবর ২০২৬
৬ কার্তিক ১৪৩৩

নাটোরে বাস-ট্রাক সংঘর্ষে নিহত ১৪

নিজস্ব প্রতিবেদক

প্রকাশিত: ২০ অক্টোবর ২০২৬ ১২:৪৫ পিএম

সংগৃহীত ছবি

নাটোরের বড়াইগ্রামে যাত্রীবাহী বাস ও বালুবোঝাই ট্রাকের সংঘর্ষে প্রাণ গেছে ১৪ জনের।

এ ঘটনায় আহত হয়েছেন অন্তত ২৫ জন। নিহতদের মধ্যে নয়জনের পরিচয় শনাক্ত করা হয়েছে।

দুর্ঘটনার কারণ অনুসন্ধানে সাত সদস্যের তদন্ত কমিটি গঠন করেছে জেলা প্রশাসন।

সোমবার (২০ অক্টোবর) ভোর সাড়ে ৪টার দিকে নাটোর-পাবনা মহাসড়কের বড়াইগ্রামের সরকারপাড়া এলাকায় পুলিশ তদন্ত কেন্দ্রের সামনে দুর্ঘটনাটি ঘটে।

সংঘর্ষে ঘটনাস্থলেই নয়জনের মৃত্যু হয়। গুরুতর আহতদের উদ্ধার করে হাসপাতালে নেওয়া হলে সেখানে চিকিৎসাধীন অবস্থায় আরও পাঁচজনকে মৃত ঘোষণা করা হয়।

শনাক্ত হওয়া নিহতদের মধ্যে রয়েছেন রাজশাহীর বাগমারা উপজেলার কনোপাড়া গ্রামের বাবর আলীর ছেলে আনোয়ার হক (৩০), পটুয়াখালীর মির্জাগঞ্জ উপজেলার সুবিদখালী গ্রামের তাছফিয়া খাতুন (৮), শরীয়তপুরের জাজিরা উপজেলার কাজীরহাট গ্রামের ইউনুস আলীর ছেলে সোহাগ হোসেন (৩০), বড়কান্দি গ্রামের জহুর উদ্দিনের ছেলে জুয়েল রানা (৪০) এবং ডুবিসাহেবের গ্রামের জাহান উদ্দিন মোল্লার ছেলে শালাল মোল্লা (৪৫)।

এ ছাড়া জাজিরা উপজেলার কাজীরহাট গ্রামের শাহিন হোসেন (২৫), একই উপজেলার সামাদ (৭০), কাশেম (৩৫) ও জহুর উদ্দিনের পরিচয় শনাক্ত হয়েছে।

নিহতদের মধ্যে বাসচালক সোহেল রানাও রয়েছেন। তিনি রাজশাহীর গোদাগাড়ী উপজেলার ফরহাদপুর গ্রামের আব্দুল হাকিমের ছেলে; তাঁর বয়স ৪০ বছর।

বনপাড়া পুলিশ তদন্ত কেন্দ্রের উপপরিদর্শক (এসআই) শামীম হোসেনের দেওয়া তথ্য অনুযায়ী, আরপি পরিবহনের বাসটি বরগুনা থেকে যাত্রী নিয়ে চাঁপাইনবাবগঞ্জের দিকে যাচ্ছিল।

অন্যদিকে, পঞ্চগড় থেকে বালুবোঝাই একটি ট্রাক ঝিনাইদহের উদ্দেশে যাচ্ছিল। ভোরে সরকারপাড়া এলাকায় পৌঁছালে যানবাহন দুটির মুখোমুখি সংঘর্ষ হয়।

পুলিশের প্রাথমিক ধারণা, অন্য একটি যানবাহনকে দ্রুতগতিতে ওভারটেক করতে গিয়ে বাসটি ট্রাকের সঙ্গে সংঘর্ষে জড়িয়ে পড়ে।

দুর্ঘটনার সময় ট্রাকটি মহাসড়কের বাম পাশের লেন দিয়ে চলছিল বলে জানিয়েছেন এসআই শামীম হোসেন। তবে দুর্ঘটনার প্রকৃত কারণ তদন্তের মাধ্যমে নিশ্চিত হওয়া যাবে।

দুর্ঘটনায় প্রাণহানির ঘটনায় এলাকায় শোকের পাশাপাশি সড়ক নিরাপত্তা নিয়ে উদ্বেগ দেখা দিয়েছে।

তদন্ত কমিটির প্রতিবেদন পাওয়ার পর দুর্ঘটনার কারণ ও দায় নির্ধারণে পরবর্তী পদক্ষেপ নেওয়া যাবে বলে সংশ্লিষ্টরা আশা করছেন।

এসআর

সম্পর্কিত খবর