সাতক্ষীরার শ্যামনগর উপজেলার পদ্মপুকুর ইউনিয়নের খুটিকাটা-চাউলখোলা এলাকায় ক্ষতিগ্রস্ত বেড়িবাঁধ দ্রুত সংস্কার এবং স্থায়ী ও টেকসই বাঁধ নির্মাণের দাবিতে মানববন্ধন করেছেন স্থানীয়রা।
বক্তারা বলেন, প্রতিবছর ঘূর্ণিঝড়, জলোচ্ছ্বাস এবং জোয়ারের পানির চাপে বাঁধের বিভিন্ন অংশ ক্ষতিগ্রস্ত হয়। এতে কপোতাক্ষ নদীর লবণাক্ত পানি লোকালয়ে প্রবেশ করে ঘরবাড়ি ও কৃষিজমির ক্ষতি করে। বর্তমানে খুটিকাটা-চাউলখোলা বেড়িবাঁধের অবস্থা অত্যন্ত ঝুঁকিপূর্ণ বলেও দাবি করেন তারা।
তাদের ভাষ্য, পানির চাপ সামান্য বাড়লেই বাঁধ ভেঙে বিস্তীর্ণ এলাকা প্লাবিত হওয়ার আশঙ্কা রয়েছে। এ কারণে সাময়িক ত্রাণের পরিবর্তে স্থায়ীভাবে জানমাল রক্ষার ব্যবস্থা করার দাবি জানান তারা।
স্থানীয় বাসিন্দা রায়হানুল ইসলাম রাহাত অভিযোগ করে বলেন, অবৈধভাবে নাইন্টি পাইপ স্থাপনের মাধ্যমে লবণাক্ত পানি ওঠানামা করায় কৃষিজমি ও বেড়িবাঁধ ক্ষতিগ্রস্ত হচ্ছে। তিনি অবৈধ পাইপ অপসারণের পাশাপাশি বাঁধ রক্ষায় স্থানীয় সবাইকে সম্মিলিতভাবে কাজ করার আহ্বান জানান।
মানববন্ধন থেকে ভাঙনকবলিত অংশে দ্রুত রিংবাঁধ নির্মাণ অথবা প্রয়োজনীয় উচ্চতা ও প্রশস্ততা নিশ্চিত করে স্থায়ী ও টেকসই বেড়িবাঁধ তৈরির দাবি জানানো হয়।
সুইডেন দূতাবাস ও ইউএন উইমেনের সহায়তায় ‘বিন্দু নারী উন্নয়ন সংগঠন’ বাস্তবায়িত ‘জেন্ডার রেসপনসিভ ডিজাস্টার রিস্ক রিডাকশন ইন বাংলাদেশ’ প্রকল্পের আওতায় গঠিত খুটিকাটা জাগ্রত নারী বাঁধ সুরক্ষা দল কর্মসূচিটির আয়োজন করে।
স্থানীয়দের তথ্য অনুযায়ী, লঘুচাপের প্রভাবে জোয়ারের পানির চাপ বেড়ে যাওয়ায় গত ২৮ সেপ্টেম্বর ভোররাতে কপোতাক্ষ নদের তীরবর্তী খুটিকাটা-চাউলখোলা বেড়িবাঁধের একটি অংশে ধস শুরু হয়
এসআর