সাতক্ষীরার শ্যামনগর উপজেলায় জলবায়ু পরিবর্তনের প্রভাব মোকাবিলায় উপকূলীয় জনগোষ্ঠীর সক্ষমতা বৃদ্ধি এবং জীবনমান উন্নয়নের লক্ষ্যে একটি প্রকল্প পরিচিতি সভা অনুষ্ঠিত হয়েছে।
অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন শ্যামনগর উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা (ইউএনও) শামসুজ্জাহান কনক। লিডার্সের সভাপতি বীর মুক্তিযোদ্ধা নজরুল ইসলামের সভাপতিত্বে অনুষ্ঠিত সভায় বিভিন্ন সরকারি দপ্তরের কর্মকর্তা, স্থানীয় জনপ্রতিনিধি ও গণমাধ্যমকর্মীরা অংশ নেন।
বিশেষ অতিথি হিসেবে বক্তব্য দেন উপজেলা সহকারী কমিশনার (ভূমি) রাশেদ হোসাইন, সমাজসেবা কর্মকর্তা এস. এম. দেলোয়ার হোসেন, প্রকল্প বাস্তবায়ন কর্মকর্তা মিরাজ হোসেন খান, যুব উন্নয়ন কর্মকর্তা রফিকুল ইসলাম, একাডেমিক সুপারভাইজার মিনা হাবিবুর রহমান, শ্যামনগর থানার তদন্ত কর্মকর্তা পিয়ার উদ্দীন এবং উপজেলা প্রেসক্লাবের সভাপতি সামিউল আযম মনির।
সভা পরিচালনা করেন লিডার্সের প্রোগ্রাম ডিরেক্টর এবিএম জাকারিয়া। এ সময় প্রকল্পের বিভিন্ন কার্যক্রম ও লক্ষ্য তুলে ধরে মাল্টিমিডিয়ার মাধ্যমে উপস্থাপনা করেন সংস্থার কর্মকর্তা জয়দেব জোয়ারদ্দার।
উপস্থাপনায় জানানো হয়, প্রকল্পের আওতায় জলবায়ু ঝুঁকিতে থাকা প্রায় ২ হাজার ১৬০টি পরিবারকে সহায়তা দেওয়া হবে। এর মধ্যে জলবায়ু সহনশীল কৃষি প্রযুক্তির ব্যবহার, বিকল্প আয়ের সুযোগ সৃষ্টি, ক্ষুদ্র পুকুর খনন, স্থানীয় পর্যায়ে সহনশীলতা দল গঠন এবং অন্যান্য সক্ষমতাবর্ধক কার্যক্রম অন্তর্ভুক্ত থাকবে।
সংস্থার পক্ষ থেকে জানানো হয়, জার্মানভিত্তিক উন্নয়ন সহযোগী সংস্থার আর্থিক সহায়তায় পরিচালিত এই প্রকল্পটি ২০২৮ সাল পর্যন্ত চলবে। সাতক্ষীরার শ্যামনগর ও আশাশুনি উপজেলার চারটি ইউনিয়নে প্রকল্পের কার্যক্রম বাস্তবায়ন করা হবে।
বক্তারা বলেন, জলবায়ু পরিবর্তনের কারণে উপকূলীয় অঞ্চলের মানুষ নানা ধরনের ঝুঁকির মুখোমুখি হচ্ছে। এ ধরনের উদ্যোগ স্থানীয় জনগোষ্ঠীর অভিযোজন সক্ষমতা বাড়ানোর পাশাপাশি তাদের সামাজিক ও অর্থনৈতিক নিরাপত্তা জোরদারে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রাখবে।
এসআর