আসন্ন ঈদুল আজহাকে সামনে রেখে জমে উঠেছে সাতক্ষীরা সদর উপজেলার ভালুকা চাঁদপুর পশ্চিমপাড়া গ্রাম, যা কোরবানির ঈদ এলেই এলাকা জুড়ে ‘গরুগ্রাম’ নামে পরিচিতি পায়। কৃষিকাজের পাশাপাশি বাড়তি আয়ের
আশায় গড়ে ওঠা এই গ্রামের প্রায় প্রতিটি বাড়ির ছোট-বড় খামারে এখন ১৫ থেকে শুরু করে ৪০টিরও বেশি গরু লালন-পালন ও বিক্রির ব্যস্ততা চলছে।
মাঠের ঘাস ও বিচালি দিয়ে সাশ্রয়ী মূল্যে ভালো মানের গরু পাওয়া যাওয়ায় প্রতিদিন জেলার বিভিন্ন এলাকাসহ দূর-দূরান্ত থেকে ক্রেতারা এখানে ছুটে আসছেন। এই গ্রামের খামারিরা ক্রেতাদের সুবিধার্থে বিক্রিত গরু ঈদের আগের দিন বা সকাল পর্যন্ত নিজস্ব খামারে রেখে খাবার ও দেখভালের বিশেষ দায়িত্ব নিচ্ছেন, যা ক্রেতাদের আগ্রহ আরও বাড়িয়ে দিয়েছে বলে জানান খামারি আলমগীর হোসেন ও ক্রেতা খলিলুর রহমান।
এদিকে জেলা প্রাণিসম্পদ দপ্তরের তথ্যমতে, এবার সাতক্ষীরার ১২ হাজার ৮৯৪টি খামারে ৪৯ হাজার গরু, ৪৪ হাজার ছাগল ও ৬ হাজার ভেড়াসহ প্রস্তুতকৃত পশুর সংখ্যা চাহিদার তুলনায় প্রায় ১৮ হাজার বেশি রয়েছে। জেলা প্রাণিসম্পদ কর্মকর্তা ডা. এফ. এম. মান্নান কবীর জানিয়েছেন, গত বছরের তুলনায় এবার ২ থেকে ৩ শতাংশ বেশি পশু প্রস্তুত করা হয়েছে এবং স্থানীয় খামারিদের স্বার্থ সুরক্ষায় সীমান্ত দিয়ে অবৈধভাবে গরু প্রবেশ বন্ধে কঠোর নজরদারি বাড়ানো হয়েছে।
এসআর