নোয়াখালীর ৬টি সংসদীয় আসনে কালকের (১২ ফেব্রুয়ারি) নির্বাচন ও গণভোটকে কেন্দ্র করে
নজিরবিহীন নিরাপত্তা ব্যবস্থা গ্রহণ করা হয়েছে। সুষ্ঠু ভোটের পরিবেশ বজায় রাখতে ৭টি বাহিনীর সমন্বয়ে ১৬ হাজারেরও বেশি সদস্য মাঠে থাকছেন।
নিরাপত্তা বাহিনীর বিন্যাস (মোট ১৬,৩৭৯ জন)
আসনভিত্তিক ঝুঁকি এবং ভৌগোলিক অবস্থান বিবেচনায় নিয়ে সদস্যদের মোতায়েন করা হয়েছে:
বাহিনীভিত্তিক সদস্য:
আনসার: ১১,৩৭৫ জন (সর্বাধিক)
পুলিশ: ২,৬৫০ জন
কোস্টগার্ড: ১,০৬৪ জন (প্রধানত উপকূলীয় এলাকায়)
সেনাবাহিনী: ৭০০ জন
বিজিবি: ২৫০ জন
নৌবাহিনী: ২৪০ জন
র্যাব: ১০০ জন
বিশেষ ব্যবস্থা (হাতিয়া): নোয়াখালী-৬ (হাতিয়া) দ্বীপ অঞ্চল হওয়ায় সেখানে পুলিশ ও আনসারের পাশাপাশি কোস্টগার্ড ও নৌবাহিনী মোতায়েন করা হয়েছে।
ভোটার ও কেন্দ্রের পরিসংখ্যান
মোট ভোটার: ২৮ লাখ ৬৭ হাজার ৬৩৯ জন।
ভোটকেন্দ্র: ৮৭৫টি।
মোট প্রার্থী: ৬টি আসনে মোট ৪৮ জন (স্বতন্ত্র ও দলীয়)।
পোলিং কর্মকর্তা: প্রিসাইডিং, সহকারী প্রিসাইডিং এবং পোলিং অফিসার মিলিয়ে প্রায় ১৮ হাজার কর্মকর্তা দায়িত্বে থাকছেন।
মালামাল ও প্রস্তুতি
জেলা নির্বাচন কার্যালয়ের তথ্যমতে, ৯টি উপজেলার জন্য ব্যালট পেপারসহ সব নির্বাচনি সরঞ্জাম পৌঁছে দেওয়া হয়েছে। আজ বুধবার বিকেলের মধ্যে কড়া নিরাপত্তায় এসব মালামাল প্রতিটি ভোটকেন্দ্রে পৌঁছে যাবে।
রিটার্নিং কর্মকর্তার মতে, নোয়াখালীর নির্বাচনি পরিবেশ এখন পর্যন্ত সন্তোষজনক। প্রশাসনের লক্ষ্য হলো ভোটাররা যেন কোনো ভয়ভীতি ছাড়া কেন্দ্রে গিয়ে তাঁদের পছন্দের প্রার্থীকে ভোট দিতে পারেন।
এসআর
মন্তব্য করুন: