মঙ্গলবার (২৭ জানুয়ারি) রাতে বগুড়া প্রেসক্লাবে আয়োজিত সংবাদ সম্মেলনে নাগরিক ঐক্যের
সভাপতি মাহমুদুর রহমান মান্না বেশ কিছু গুরুতর অভিযোগ উত্থাপন করেন:
১. প্রার্থিতা বাতিলের ষড়যন্ত্র
মান্না অভিযোগ করেন যে, তাকে নির্বাচন থেকে সরিয়ে রাখতে পরিকল্পিতভাবে 'ঋণখেলাপি' হিসেবে প্রচার করা হয়েছিল। তবে আইনি লড়াই এবং ব্যাংকের সাথে ঋণ পুনঃতফসিল (রি-শিডিউল) করার মাধ্যমে তিনি নিজের প্রার্থিতা ফিরে পেয়েছেন এবং বর্তমানে তিনি একজন বৈধ প্রার্থী।
২. নির্বাচনী সহিংসতা ও ভয়ভীতি
তিনি অভিযোগ করেন যে, নির্বাচনী মাঠে তাঁর নেতাকর্মীদের ওপর চাপ সৃষ্টি করা হচ্ছে:
নারী কর্মীদের বাধা: হ্যান্ডমাইক নিয়ে প্রচারণায় গেলে নারী কর্মীদের হুমকি ও বাধা দেওয়া হচ্ছে।
মামলা বাণিজ্য: ৫ আগস্টের পরবর্তী সময়ে এলাকায় নিরীহ মানুষের নামে মামলা দিয়ে অর্থ আদায়ের একটি অপতৎপরতা শুরু হয়েছে বলে তিনি দাবি করেন।
৩. প্রশাসনের ভূমিকা
মান্না প্রশাসনের নিরপেক্ষতা নিয়ে প্রশ্ন তুলেছেন। তিনি বলেন, প্রভাবশালী মহলের চাপে প্রশাসন সঠিকভাবে দায়িত্ব পালন করতে পারছে না এবং অনেক ক্ষেত্রে মামলা নিতেও গড়িমসি করছে।
তিনি প্রশাসনকে কোনো বিশেষ দলের অনুগত না হয়ে নিরপেক্ষ থাকার আহ্বান জানান।
সংবাদ সম্মেলনে উপস্থিত ব্যক্তিবর্গ:
সংবাদ সম্মেলনে মাহমুদুর রহমান মান্নার সাথে তাঁর ছোট ভাই মুশফিকুর রহমান আন্না, জেলা নাগরিক ঐক্যের মশিউর রহমান পিয়াল, এবং শিবগঞ্জ উপজেলার সাধারণ সম্পাদক আবদুর রাজ্জাকসহ অন্যান্য স্থানীয় নেতৃবৃন্দ উপস্থিত ছিলেন।
সারকথা: মাহমুদুর রহমান মান্না একটি অবাধ ও সুষ্ঠু নির্বাচনের দাবি জানিয়েছেন এবং ভোটাররা কেন্দ্রে গিয়ে ভোট দিতে পারলে তিনি তাঁর জয়ের ব্যাপারে আশাবাদ ব্যক্ত করেছেন।
এসআর
মন্তব্য করুন: