[email protected] শুক্রবার, ২৭ ফেব্রুয়ারি ২০২৬
১৫ ফাল্গুন ১৪৩২

পলাশবাড়ী উপজেলার শ্রেষ্ঠ শিক্ষক নির্বাচিত সাখাওয়াত হোসেন

গাইবান্ধা জেলা প্রতিনিধি

প্রকাশিত: ২১ জানুয়ারি ২০২৬ ৩:৩৫ পিএম

সম্মাননা গ্রহণ্ করছেন শ্রেষ্ঠ শিক্ষক সাখাওয়াত হোসেন

গাইবান্ধার পলাশবাড়ী উপজেলার শিক্ষা অঙ্গনে আবারও গর্বের বার্তা বয়ে এনেছে ৯ নম্বর হরিনাথপুর ইউনিয়নের ঐতিহ্যবাহী তালুক জামিরা দ্বিমুখী উচ্চ বিদ্যালয়।

প্রায় ছয় দশক ধরে শিক্ষা বিস্তারে নিরলস ভূমিকা রেখে প্রতিষ্ঠানটি আজ উপজেলার অন্যতম আদর্শ শিক্ষাপ্রতিষ্ঠান হিসেবে সুপরিচিত।

সম্প্রতি বিদ্যালয়টির প্রধান শিক্ষক মো. সাখাওয়াত হোসেন পলাশবাড়ী উপজেলার শ্রেষ্ঠ শিক্ষক হিসেবে নির্বাচিত হওয়ায় এই অর্জন আরও উজ্জ্বল হয়েছে।

শিক্ষা ক্ষেত্রে নিষ্ঠা, দক্ষ নেতৃত্ব ও পেশাগত আন্তরিকতার স্বীকৃতি হিসেবে তাঁকে এ সম্মাননা প্রদান করা হয়। এই খবরে বিদ্যালয় প্রাঙ্গণসহ পুরো এলাকায় আনন্দ ও উৎসবমুখর পরিবেশ সৃষ্টি হয়। শিক্ষক ও কর্মচারীরা ফুল ও ক্রেস্ট দিয়ে তাঁকে শুভেচ্ছা ও সম্মান জানান।


১৯৬৬ সালে প্রতিষ্ঠিত তালুক জামিরা দ্বিমুখী উচ্চ বিদ্যালয়টি স্থানীয় শিক্ষানুরাগী ব্যক্তি, সুধী সমাজ ও ধর্মপ্রাণ মানুষের সম্মিলিত প্রচেষ্টায় গড়ে ওঠে। এলাকার শিক্ষার চাহিদা পূরণ এবং একটি সুশিক্ষিত ও মূল্যবোধসম্পন্ন সমাজ গঠনের লক্ষ্য নিয়েই প্রতিষ্ঠানটির যাত্রা শুরু হয়েছিল, যা আজও সফলভাবে এগিয়ে চলেছে।


বর্তমানে বিদ্যালয়টিতে প্রায় ১ হাজার ২০ জন শিক্ষার্থী অধ্যয়ন করছে। অভিজ্ঞ, প্রশিক্ষিত ও প্রযুক্তিতে পারদর্শী শিক্ষক মণ্ডলীর তত্ত্বাবধানে পাঠদান কার্যক্রম পরিচালিত হচ্ছে।

আধুনিক শিক্ষাপদ্ধতি, নিয়মিত মূল্যায়ন ও নিবিড় তদারকির কারণে বোর্ড পরীক্ষাসহ বিভিন্ন ফলাফলে বিদ্যালয়টি প্রতিবছরই উপজেলার অন্যান্য প্রতিষ্ঠানের তুলনায় ভালো অবস্থান ধরে রাখছে।


স্থানীয় সূত্রে জানা যায়, প্রত্যন্ত গ্রামাঞ্চলে এমন একটি মানসম্মত শিক্ষা প্রতিষ্ঠান থাকায় অবহেলিত এলাকার শিক্ষার্থীরা আধুনিক ও যুগোপযোগী শিক্ষার সুযোগ পাচ্ছে।

সুধীজনদের মতে, প্রধান শিক্ষক মো. সাখাওয়াত হোসেনের শ্রেষ্ঠ শিক্ষক হিসেবে নির্বাচিত হওয়া বিদ্যালয়ের সুশাসন, শৃঙ্খলা ও ইতিবাচক শিক্ষাবান্ধব পরিবেশেরই প্রতিফলন।


অভিভাবক ও শিক্ষানুরাগী মহল আশা প্রকাশ করে বলেন, মো. সাখাওয়াত হোসেনের মতো নিবেদিতপ্রাণ ও দূরদর্শী শিক্ষক যদি আরও শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানের নেতৃত্বে থাকেন, তাহলে দেশের শিক্ষা ব্যবস্থায় কাঙ্ক্ষিত পরিবর্তন আরও দ্রুত বাস্তবায়িত হবে।

এসআর

মন্তব্য করুন:

সম্পর্কিত খবর